শরতে শীতের কুয়াশা !

|| বদরুল ইসলাম ||

সময়টা এখন শরৎ কালের মাঝামাঝি, তাল পাঁকা গরমের সময় এখন। বৃষ্টিও থাকবে কখনো কখনো। কিন্তু এই সময়ই কুয়াশা ! আপনি বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, এমনটাই ঘটছে কিছুদিন ধরে।

শীতকাল শুরু হতে এখনো ০৩ মাস বাকী। কিন্তু এই সময়ই কুয়াশা। বেশ কিছু দিন ধরেই লক্ষ্য করা যাচ্ছে কুয়াশার এমন অবস্থা। রাত থেকে আস্তে আস্তে এ কুয়াশা শুরু হয়ে পরদিন সকাল ৯ টা বা বেশী সময় পর্যন্ত থাকে। ভোররাতে এ কুয়াশার তীব্রতা বেশী পরিলক্ষিত হয়। এ নিয়ে গ্রামীণ লোকজনের মাঝে শুরু হয়েছে কৌতুহল।

বরগুনার বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখা গেছে কুয়াশার চাদরে ঢাকা থাকে বেশ কিছু সময়, এরপর সূর্য উঠার সাথে সাথে পালাতে শুরু করে কুয়াশা।

পথচারীদের পথ চলতে অনেকটা অসুবিধা পোহাতে হয় এ সময়। আরিফুল ইসলাম মিঠু নামের এক পথচারী জানান, চোখের অসুস্থতার কারণে এই কুয়াশার মধ্যে পথ চলতে কিছুটা হলেও কষ্ট হয় তার। তার মত আরো অনেকে আসেন, যারা সকালে ঘুম থেকে উঠে হাঁটতে হাঁটতে ব্যায়ামটাও সেরে নেন। তাদেরও ঠাণ্ডা সহ বিভিন্ন অসুস্থতার কারণে এই কুয়াশায় হাঁটতে অসুবিধা হয়।

মোঃ সাদিকুল ইসলাম নামের একজন মোটরবাইক আরোহী জানান, কুয়াশার কারণে হেডলাইট জ্বেলে তাকে চলতে হচ্ছে। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, আবহাওয়ার এই পরিবর্তন হয়েছে মূলত জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে। তাই এখন আমাদের দেশের ষড়ঋতুর এমন পরিবর্তন।

একজন কৃষি কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীন জানান, এখনকার অসময়ের কুয়াশা ফসলের ও কৃষকের ক্ষতি করবে। মোঃ ইউসুফ নামের একজন কৃষক জানান, এই কুয়াশায় ধান সহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষতি হবে।

অনেকেই আবার এই কুয়াশাকে উপভোগ করছেন। তবে চিকিৎসকদের পরামর্শ হল, যাদের ঠাণ্ডা জনিত রোগ আছে তারা অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন করে চলাচল করবেন। কারণ, এই সময়ের কুয়াশা আর ঠাণ্ডায় হতে পারে বিভিন্ন রোগ বালাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *