মাতারবাড়ী বিদ্যুৎ প্রকল্প: সিডি-ভ্যাট খাতে ব্যয় বাড়ছে ১০৩ কোটি

0
83

‘মাতারবাড়ী আলট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল কোল ফায়ারড পাওয়ার (পিজিসিবি অংশ: মাতারবাড়ী-মদুনাঘাট ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইন)’ প্রকল্পের সংশোধন প্রস্তাব পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। সংশোধনীতে কাস্টমস শুল্ক (সিডি)-ভ্যাট খাতে ১০৩ কোটি ১৭ লাখ টাকা ব্যয় বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রকল্পটির ওপর গত ৩ সেপ্টেম্বর প্রকল্প যাচাই কমিটির (পিইসি) সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেই সভায় পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় বেশকিছু সিদ্ধান্ত ও সুপারিশ দেয়। সে অনুযায়ী প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (পিজিসিবি) কী ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, তা সম্প্রতি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছে তারা। সেখান থেকে সিডি-ভ্যাট খাতে ১০৩ কোটি ব্যয় বাড়ানোর তথ্য জানা গেছে।

পিইসি সভায় পরিকল্পনা কমিশন বলেছিল, ‘প্রস্তাবিত আরডিপিতে প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধি বিশেষ করে জিওবি খাতে ব্যয় যৌক্তিকভাবে নির্ধারণ করতে হবে।’

জবাবে পিজিসিবি বলেছে, প্রস্তাবিত আরডিপিপিতে সরকার অর্থায়নের আওতায় সিডি-ভ্যাট বিবিধ কর (এআইটি এবং ভ্যাট) এবং কন্টিজেন্সিসহ মোট তিনটি খাতে বরাদ্দ রয়েছে, যার মধ্যে শুধু সিডি-ভ্যাট খাতে ব্যয় বেড়েছে। প্রকল্পের ডিপিপি প্রণয়নের সময় ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইনের টাওয়ার মালামালের দামের ওপর কর রেয়াত সুবিধা থাকায় গড়ে ৩০ শতাংশ হারে সিডি-ভ্যাট প্রদান করা হতো বিধায় সে অনুযায়ী ডিপিপিতে ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছিল। পরবর্তীতে রেয়াত সুবিধা রদ করায় বর্তমানে সঞ্চালন লাইনের মালামালের দামের ওপর গড়ে ৪২ শতাংশ হারে সিডি-ভ্যাট প্রদান করতে হচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here