৩৫ বছর ধরে হাঁড়ি-পাতিল ঝালাইয়ে জীবিকা নির্বাহ

0
12

মীর মো. দুলাল হোসেন, বয়স ৫০ বছর পেরিয়ে গেছে। রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে টানা ৩৫ বছর যাবত গ্রাম-গঞ্জের হাটে-বাজারে ঘুরে ঘুরে ছিদ্র হওয়া হাঁড়ি-পাতিল ড্রামসহ লোহার বিভিন্ন পুরাতন জিনিসপত্র ঝালাই করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। সন্তানদের লেখাপড়া চালাচ্ছেন সমান তালে।

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডে বলারদিয়ার গ্রামের (চৌধুরী মোড়) এলাকার বাসিন্দা তিনি। গ্রামের মানুষ তাকে দুলাল কামার বলেই চিনেন।

জানা যায়, জীবন যুদ্ধে হার না মানা মীর মো. দুলাল বলারদিয়ার গ্রামের মৃত আক্কেল স্বর্ণকারের তৃতীয় পুত্র। তার পরিবারের সদস্য সংখ্যা ৬ জন। তিন ছেলেসহ একজন বাক-প্রতিবন্ধী বোন মল্লিকা আক্তার এবং তার সহধর্মিণীকে নিয়েই তার সংসার।

জমিতে চাষ করে খাওয়ার জন্য কোন জমি নাই তার। পেটের দায়ে কখনও মানুষের বাড়িতে কখনও হাট-বাজারের মোড়ে ঘুরে ঘুরে ছিদ্র বা ভেঙ্গে যাওয়া হাড়ি-পাতিল, টিন, জগ, মগ ইত্যাদি ঝালাই এবং মেরামত করে পরিবারের জন্য খাদ্য যোগান। মানুষের কাছ হাত পেতে নয়, হাড় ভাঙা পরিশ্রম করে বড় ছেলে আমির হোসেন (২৪) ডিগ্রী পাশ করিয়েছেন। মেজো ছেলে আমিনুর হোসেন (১৭) উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করিয়েছেন। ছোট ছেলে আদিল হোসেন (১৪) ৮ম শ্রেণীতে পড়াচ্ছেন তিনি।

কামার দুলাল হোসেন বলেন, জীবনটা অনেক কষ্টের। ভাঙা বাকা হা

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here